This is default featured slide 1 title
Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.
This is default featured slide 2 title
Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.
This is default featured slide 3 title
Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.
This is default featured slide 4 title
Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.
This is default featured slide 5 title
Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.
বৃহস্পতিবার, ২৮ এপ্রিল, ২০১৬
মঙ্গলবার, ২৬ এপ্রিল, ২০১৬
বিদ্যুৎ সম্পর্কে যে ধারণাগুলো এখনি বদলে ফেলা উচিৎ
ফ্যান আস্তে ঘুরলে বিদ্যুৎ খরচ কম হয় বেশী হয় একই হয় কোনটি নয় এই প্রশ্নটি অনেক পরীক্ষাতে আসে আমরা সবাই উত্তর দেই “একই হয়” আসলে কি ঠিক? ঠিক না কারণ যদি আপনি ইলেকট্রিক্যাল রেগুলেটর ( বড় সাইজের অনেক ভারী রেগুলেটর) ব্যবহার করেন তাহলে আস্তে বা জোরে ঘুরক না কেন বিদ্যুৎ খরচ একই হবে, কিন্তু যদি আপনি ইলেকট্রনিক্স ( ছোট হালকা রেগুলেটর) ব্যবহার করেন তাহলে আস্তে ঘুরলে বিদ্যুৎ খরচ কম হবে জোরে ঘুরলে খরচ বেশী হবে। আবার ৪ ফুটের ফ্লুরোসেন্ট ল্যাম্প (টিউব লাইট) এর গায়ে লেখা থাকে ৪০ ওয়াট। আসলে কি ৪০ ওয়াট না আসলে ওটা ২০ ওয়াট, কারণ আপনি বাল্বটির জালানোর জন্য যে ইন্ডাকটর (ব্যালাস্ট) ব্যবহার করেন সেটা নেয় ২০ ওয়াট বাল্ব নেয় ২০ ওয়াট মোট ৪০ ওয়াট। এ্যানাজী সেভিং ল্যাম্প নিয়ে এত মাতামাতী আসলে দেখেছেন কি এর আলো কতটা কর্কশ, চোখে লাগে কারন এটা থেকে রেডিয়েশন হয় এবং আলো ছোট জায়গা থেকে হয় বলে চোখে লাগে বেশী। সমান ওয়াটের এনার্জী বাল্বের চেয়ে টিউব লাইটের আলো বেশী এবং এই আলো চেখে কম লাগে রেডিয়েশন কম তাই টিউব লাইট ব্যাবহার করা ভাল কিন্তু টিউব লাইট লাগানো ঝামেলা তাই এনাজী আমার প্রেফার করি। কিন্তু যদি আপনি ৪০ ওয়াটের টিউব লাইটের সাথে ইলেকট্রনিক্স (ওজনে হালকা ৬ তার বিশিষ্ট ব্যালাষ্ট) ব্যালাষ্ট ব্যবহার করেন তাহলে বিদ্যুৎ খরচ হবে মাত্র ২২ ওয়াট কারন বাল্ব নেবে ২০ ওয়াট ব্যালাষ্ট নেবে ২ ওয়াট মোট হবে ২২ ওয়াট । এখন বলুন এনাজী না ইলেকট্রনিক্স ব্যালাষ্ট যুক্ত টিউব লাইটই ভাল। সহজে বৈদ্যুতিক এনাজি বা ইউনিট নির্নয় করার পদ্ধতি একজন জানতে চেয়েছে ভোল্টেজ কম থাকলে কি বিদ্যুৎ বিল বেশি আসার সম্ভবনা থাকে? ব্যাপারটা আমি একটু ঘুরিয়ে বলি যদি আপনাকে বলা হয় ভো্ল্টেজ কমলে কারেন্ট বাড়ে না কমে? আপনি বলবেন বাড়ে কারণ পাওয়ার = ভোল্টেজ * কারেন্ট । ভোল্টেজ কমলে অবশ্যই কারেন্ট বাড়বে। উধাহরন সরুপ ৫০০ ওয়াটের একটি বাল্ব যদি ২৫০ ভোল্টে চলে তাহলে কারেন্ট নেবে ২ অ্যাম্পিয়ার । যদি ভোল্টেজ ১২৫ হয় তবে নেবে ৪ অ্যাম্পিয়ার। ( আমার মতে নেবে ১ অ্যাম্পিয়ার) আমি বলি এটা থিউরিটিক্যালি বাড়ে বাস্তবে কমে। কারণ পাওয়ার = ভোল্টেজ* কারেন্ট=ভোল্টেজ*ভোল্টেজ/ রেজিষ্টেন্স (রেজিষ্টেন্স হল বাল্বের কন্সট্যান্ট মান যা স্থির থাকবে আপনি বাড়াতে বা কমাতে পারবেন না) তাহলে ৫০০ ওয়াটের বাল্বের রেজিষ্ট্যান্স হবে ১২৫ ওহম । ভোল্টেজ যখন ২৫০ তখন সে ওয়াটেজ দেবে ২৫০*২৫০/১২৫= ৫০০ আর ভোল্টেজ যখন ১২৫ তখন সে ওয়াটেজ নেবে ১২৫*১২৫/১২৫ =১২৫ ওয়াট। এখন বলুন পাওয়ার দেবে ১২৫ ওয়াট ভোল্টেজ নেবে ১২৫ ভোল্ট তাহলে কারেন্ট কি নেবে ৪ অ্যাম্পিয়ার। কারেন্ট = ১২৫/১২৫= ১ অ্যাম্পিয়ার । এ জন্যই ভোল্টেজ কমলে আলো কম হয়। অনেকেই বলে লো ভোল্টেজের কারনে মটর পুড়ে যায় যদি পুড়ত তাহলে আমরা কেউ ফ্যান চালাতে পারতাম না ফ্যান একটা সিঙ্গেল ফেজ মটর এটাকে আস্তে ঘোরার জন্য ভোল্টেজ কম দেই তাহলেই বলেন ব্যাপারটা কি? “তবে লো ভোল্টেজে মটর বা লোড পুড়বে তখনই যখন আপনি আউটপুট নরমাল ভোল্টেজ ও লো-ভোল্টেজ এ সমান চাবেন তখন” । ##এই মতামত সম্পুন্ন আমার ব্যাক্তিগত বিদ্যুৎ সম্পর্কে ধারণা আমার খুবই সামান্য তাই যদি কোন অসঙ্গতি হয় তাহলে ক্ষমা প্রার্থী তবে পরীক্ষা করে ফলাফল যাচাই করা দায়িত্ব আপনাদের ## বিদ্যুৎ কে ভয় পাবেননা বরং সতর্ক হোন ধন্যবাদ পোষ্টটি পড়ার জন্য।
যারা এখনও NID পাননি তারা নিয়ে নিন টেম্পোরারি NID ও করুন বায়োমেট্রিক ভেরিফিকেশন
যারা ন্যাশনাল আইডিকার্ডের জন্য এপ্লাই করেছেন অথচ এখনো আইডি কার্ড পাননি তাদের জন্য। Image আপনারা অনেকেই ২০১৪ ও ১৫ সালে রেজিশট্রেশন করে ছবি তুলেছেন অথচ আজ অবধি ন্যাশনাল আইডি কার্ড পাননি আর এদিকে সিম রেজিস্ট্রেশন ও অনান্যা কাজে আইডি কার্ডের অভাবে প্যারার মধ্যে আছেন তাদের হেল্পের উদ্দেশ্যে টিউনটা লেখা। মাত্র ৩ স্টেপের একটি কাজ করেই আপনি পেয়ে যাবেন টেম্পোরারি একটি আইডি কার্ড। যা দিয়ে সিম রেজিস্ট্রেশন সহ আইডি কার্ডের প্রয়োজনীয় কাজগুলা করতে পারবেন। দরকার শুধু নিবন্ধন স্লিপ এর ফরম নম্বরটি। ছবি তোলার পর যে ছোট স্লিপ দেওয়া হয়েছিল তার ফরম নম্বর। (ডান সাইডে বক্সের ভিতরে) ফার্স্ট স্টেপ, প্রথমে নিচের লিংকে প্রবেশ করে সকল ঘরে সঠিক তথ্য পূরন করে “ভোটার তথ্য দেখুন” এ ক্লিক করতে হবে।
https://services.nidw.gov.bd/voter_center নতুন পেজটি লোড নেওয়ার পর একটু স্ক্রোল করে পেজের নিচে আসলেই আপনার ভোটার তথ্যা ও লাল কালিতে লেখা ন্যাশনাল আইডি কার্ড নম্বর পেয়ে যাবেন। আর এ নাম্বার দিয়েই আপনি সিম রেজিস্ট্রেশন করতে পারবেন। সেকেন্ড স্টেপ, তারপর নিচের লিংকে গিয়ে সকল তথ্য পূরণ করে ও মোবাইল নম্বর ভেরিফিকেশন করে একটি একাউন্ট খুলে নিবেন।
https://services.nidw.gov.bd/registration/new_registration
থার্ড স্টেপ, নিচের লিংক এ গিয়ে আপনার আগের ধাপের খোলা একাউন্টে লগ ইন করেন।
https://services.nidw.gov.bd/login
এখানে ছবি সহ আপনার ডিটেইল দেখতে পাবেন। এখন “পরিচয় বিবরণী” তে ক্লিক করলে একটি পিডিএফ ফাইল ডাউনলোড হবে। আর এটিই আপনার টেম্পোরারি আইডি কার্ড। বিঃদ্রঃ- একাউন্ট খোলা থেকে শুরু করে সকল কাজই বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে করতে হবে। এখানে আমার ব্যক্তিগত কোন উদ্দেশ্য নাই। শুধুমাত্র হেল্প করার জন্যই টিউনটা শেয়ার করা।
help to call 01703-686858
সোমবার, ১৮ এপ্রিল, ২০১৬
ব্রেকিং নিউজঃ এ সপ্তাহের মধ্যেই সব পর্নো সাইট বন্ধ!
চলতি সপ্তাহের মধ্যেই বাংলাদেশে সব পর্নো সাইট বন্ধ করে দেয়ার ঘোষণা দিয়েছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট তারানা হালিম। সোমবার (১৮ এপ্রিল) দুপুরে নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে এক ব্যক্তির প্রশ্নের উত্তরে এ ঘোষণা দেন প্রতিমন্ত্রী। এম এ আমিন খান নামের ওই ব্যক্তি তারানার একটি পোস্টের নিচে কমেন্ট করেন, ‘আপা, পর্নোগ্রাফির সাইটগুলো বন্ধ করে দেন। এ বিষয়ে আপনারা আইন করেছেন। এখন এসব সাইটগুলো বন্ধ করাটাও খুব জরুরি। যুব সমাজকে পর্নোগ্রাফির ছোবল থেকে রক্ষা করতে না পারলে তাদের কাছে তথ্য-প্রযুক্তির সুফল পৌঁছাবে না।’ আমিনের ওই আবেদনে সাড়া দিয়ে তারানা হালিম উত্তর দেন, ‘আমরা এই সপ্তাহের মধ্যেই সকল পর্নোগ্রাফিক সাইট বন্ধ করে দেব।’
বুধবার, ১৩ এপ্রিল, ২০১৬
ফেসবুকের এক দশকের পরিকল্পনা জেনে নিন।.
বললেন, ‘আগামী ১০ বছরের পরিকল্পনা আজ উপস্থাপন করতে যাচ্ছি আমি।’ দর্শকসারির ২ হাজার ৬০০ জোড়া হাত মুহুর্মুহু করতালিতে যেন তার স্তুতি জানাচ্ছিল। এক যুগ আগে প্রতিষ্ঠার সময় মার্ক একই কথা জানিয়েছিলেন। বলেছিলেন, ‘আমাদের যেতে হবে বহুদূর।’ তবে ১২ এপ্রিল রাতে যুক্তরাষ্ট্রের স্যানফ্রান্সিসকোয় শুরু হওয়া ফেসবুক ডেভেলপার সম্মেলন এফ৮- এর উদ্বোধনী বক্তব্যে মার্কের কণ্ঠে আত্মবিশ্বাসটা ছিল অনেক বেশি, লক্ষ্যটা যেন সাফ সাফ দেখতে পাচ্ছেন চোখের সামনে। মার্কের সেই বক্তব্য ফেসবুক লাইভ ভিডিওর মাধ্যমে দেখেছেন কোটি কোটি মানুষ। সেদিন মার্কের পর আরও বক্তৃতার মাধ্যমে ফেসবুকের নতুন সব সুবিধার ঘোষণা দেন ফেসবুকের ডেভেলপার প্ল্যাটফর্ম গ্রুপের প্রধান দেব লিউ, স্ট্র্যাটেজিক পার্টনারশিপের এক পরিচালক ইমি আর্চিবং, ফেসবুকের মেসেঞ্জার গ্রুপের প্রধান ডেভিড মার্কাস এবং ফেসবুকের প্রধান পণ্য কর্মকর্তা ক্রিস কক্স। মার্ক জাকারবার্গের ১০ বছরের পরিকল্পনার মূলকথা অবশ্য সবারই জানা —বিশ্বকে বাঁধতে হবে এক সুতোয়, মানুষকে দিতে হবে যোগাযোগের স্বাধীনতা। এই যোগাযোগ বাড়াতে নতুন যেসব সুবিধা চালুর ঘোষণা দেওয়া হয়, সেখান থেকে গুরুত্বপূর্ণ সুবিধাগুলোর কথা এখানে উল্লেখ করা হলো। লাইভ এপিআই:ফেসবুকে লাইভ ভিডিও শেয়ার করার সুযোগ বেশ সফল বলা চলে। ব্যক্তিগত ব্যবহারকারীর জন্য সুবিধাটি চালু হলেও এখন থেকে অন্যান্য যন্ত্রের সফটওয়্যার নির্মাতারাও লাইভ এপিআই কাজে লাগিয়ে যেকোনো যন্ত্র থেকে সরাসরি ফেসবুকে ভিডিও প্রচারের সুযোগ দেবেন। জাকারবার্গের বক্তব্যের সময়ই মঞ্চে কোত্থেকে যেন উড়ে আসে এক ড্রোন। বড় পর্দার ছবি বদলে সেখানে মঞ্চের সরাসরি ভিডিও প্রচার করতে শুরু করে। মেসেঞ্জার প্ল্যাটফর্ম: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ভার্চ্যুয়াল রিয়ালিটি প্রযুক্তির পর এখন ফেসবুক উঠেপড়ে লেগেছে স্বয়ংক্রিয় বট নিয়ে। মেসেঞ্জার প্ল্যাটফর্মের অংশ হিসেবে নতুন চ্যাটবটের ঘোষণা দেওয়া হয়। স্বয়ংক্রিয় এই বটগুলো প্রতিষ্ঠানের পক্ষে গ্রাহকদের সঙ্গে প্রয়োজনীয় আলাপ সেরে নিতে পারবে। উদাহরণ হিসেবে বলা যেতে পারে, ফুল কেনার জন্য ফোন করার প্রয়োজন পড়বে না, মেসেঞ্জারে জানিয়ে দিলেই হলো। সেখানে স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্রশ্ন করে জেনে নেওয়া হবে আপনার ফুলের রং, পরিমাণ, জাত ইত্যাদি। ফেসবুক সারাউন্ড ৩৬০:নতুন থ্রিডি ৩৬০ ডিগ্রি ক্যামেরার ঘোষণা দিয়েছে ফেসবুক। ফেসবুক সারাউন্ড ৩৬০ নামের এই যন্ত্রের ১৭টি ক্যামেরা চারদিকের চমৎকার ত্রিমাত্রিক চিত্র ধারণ করতে পারে। বেড়েছে বার্তার আদান-প্রদান: গত বছরের সম্মেলনে বলা হয়, মেসেঞ্জারে ব্যবহারকারীর সংখ্যা ছিল ৭০ কোটি, এখন তা বেড়ে ৯০ কোটি ছুঁয়েছে। মেসেঞ্জারে প্রতিদিন গড়পড়তা ২ হাজার কোটি বার্তা পাঠানো হয়। হোয়াটসঅ্যাপে সংখ্যাটা তিনগুণ, ৬ হাজার কোটি। অল্প কিছু সংবাদমাধ্যমের জন্য পরীক্ষামূলক হিসেবে ‘ইনস্ট্যান্ট আর্টিকেল’ নামের সুবিধা চালু ছিল। সুবিধাটি এখন সব প্রকাশকের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে। ইউটিউবে অন্যের ভিডিও নিজের বলে চালিয়ে দেওয়ার সুযোগ না থাকলেও ফেসবুকে কাজটি অহরহ হচ্ছে। তবে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ এখন থেকে এ ধরনের মেধাস্বত্ব সংরক্ষণের জন্য উদ্যোগ নেবে বলে জানিয়েছে। অনেক উচ্চতা থেকে ইন্টারনেট ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য চালকবিহীন ড্রোনের ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল।
বিজ্ঞানের আবিষ্কারঃ- অদৃশ্য হওয়ার প্রযুক্তি
এতদিন যেটা সিনেমার মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল, এবার তা বাস্তবে করে দেখালেন বিজ্ঞানীরা। অর্থাৎ বাস্তবেও মানুষ দ্রুত অদৃশ্য হতে পারবে! উদাহরণ স্বরূপ বলা যায়, হ্যারি পটার সিনেমায় দেখেছিলেন বিশেষ পোশাক ‘ইনভিজিবিলিটি ক্লোক’, যা শরীরে পড়ে অদৃশ্য হয়ে যায় নায়ক। অবিশ্বাস্য হলেও সত্যি যে, বিজ্ঞানীরা এমন ধরনের কাপড় তৈরি করতে সক্ষম হয়েছেন। এটি এমন এক ধরনের কাপড় যা মানুষকে মূলত ছদ্মবেশে অদৃশ্য করে রাখবে। ছদ্মবেশে অদৃশ্য হওয়ার এই প্রযুক্তির পরীক্ষামূলক ব্যবহারে ইতোমধ্যে সফল হয়েছে বিট্রিশ সেনাবাহিনী। নতুন আবিষ্কৃত এই কাপড়ে রয়েছে ছোট ছোট লাইট সেন্সিং সেল, যা প্রতিপক্ষের দৃষ্টি থেকে অদৃশ্য হওয়ার সুবিধা দিতে, স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে পোশাকের রং পরিবর্তন করতে সক্ষম। রং চিহ্নিত করার পরে একটি ইলেকট্রিক সিগন্যালিং সঞ্চারিত হয় এই কাপড়ে। কাপড়ের একবারে ওপরের স্তরটি হিট-সেনসিটিভ ডাই প্রযুক্তিতে। যা রং বদলে আশপাশের পরিবেশের রং ধারণ করতে পারে। তাই এই কাপড় গায়ে জড়িয়ে কোথাও স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে থাকলে, একটু সময় পরেই সেখানকার পরিবেশ অনুযায়ী রং বদলে ফেলবে কাপড়টি। ফলে বেশ খানিকটা দূরত্ব থেকে কারো পক্ষে বোঝা দায় হবে যে সেখানে কেউ রয়েছে। পরিবেশের ছদ্মবেশে অদৃশ্য হওয়ার এই কাপড় উদ্ভাবন করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের ইলিনয় বিশ্ববিদ্যালয় ও ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির গবেষকরা। এ প্রসঙ্গে ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ঝাননি ঝাও বলেন, ‘ছদ্মবেশে অদৃশ্য হওয়ার সামরিক এই আবরণ উদ্ভাবনে আমরা খুবই সন্তুষ্ট। সামরিক বাহিনীতে বর্তমানে মিলিয়ন মিলিয়ন ডলার ব্যয় করা হয়ে থাকে এ ধরনের প্রযুক্তির গবেষণায়, কিন্তু সেগুলো সাধারণত স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিবেশ বুঝে রং ধারণ করতে পারে না। আমাদের উদ্ভাবিত নতুন প্রযুক্তির কাপড় সৈন্য এবং সামরিক যানবাহনেও সফলভাবে ব্যবহার করা যাবে।










